1. xsongbad@gmail.com : Harry Deb Nath : Harry Deb Nath
  2. tauhidcrt8@gmail.com : tauhidcrt8 :
শবে বরাত নিয়ে প্রিয়নবির দু’টি কথা - Songbadjogot.com
শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
  • Welcome To Our Website...* এন জি ও ‘আরবান সমিতি’ –মাইক্রো ক্রেডিট ফাইনান্সে জরুরী ভিত্তিতে কিছু সংখ্যক মহিলা/পুরুষ মাঠ কর্মী নিয়োগ দেয়া হবে। বয়স ২৫ উর্ধ্ব হতে হবে। আগ্রহী প্রার্থীদেরকে সরাসরি নিম্নোক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করুনঃ ০১৩০১০৪১২৮৮  আমাদের অনলাইন নিউজ পোর্টালে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে এই নাম্বারে যোগাযোগ করুনঃ ০১৮১৫-৫৮৭৪১০

শবে বরাত নিয়ে প্রিয়নবির দু’টি কথা

সংবাদ জগৎ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৯ মার্চ, ২০২১
  • ১৫৯ বার ভিউ

লাইলাতুল বারাআত ও শবে বরাত; আলাদা ভাষার শব্দ।‘ লাইলাতুল বারাআত’ শব্দদুটি আরবি, যার অর্থ হলো মুক্তির রাত। আবার ‘শবে বরাত’ শব্দদুটি ফার্সি ভাষায় ব্যবহৃত, এর অর্থ দাড়ায় ভাগ্য রজনী। আর হাদিসের পরিভাষায় বহুল পরিচিত ‘ভাগ্য রজনী’কে বলা হয়, ‘লাইলাতুন নিসফে মিন শাবান’ অর্থাৎ মধ্য শাবানের রাত।

হিজরি সন গণনায় আজ রোজ সোমবার (২৯মার্চ) দিবাগত রাত ১৪ শাবান। আর এ রাতেই মুসলিম উম্মাহ ইবাদত বন্দেগিতে নিজেদেরকে নিয়োজিত রাখবেন। হাদিসে এ রাতের ফজলিত, মর্যাদা ও করণীয় সম্পর্কে দিক-নির্দেশনা রয়েছে-

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যখন শাবান মাসের অর্ধেক হয়ে যায়, যখন ১৪ তারিখ দিনের পর রাতে্র আগমন ঘটে, তখন তোমরা সেই রাতে জাগরণ কর আর পরের দিন রোজা রাখ।’ (ইবনে মাজাহ)

শবে বরাত নিয়ে বর্তমান সময়ে বহু বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি চলছে। বাড়াবাড়ির মাত্রা যেমন খুব বেশি, তেমনি ছাড়াছাড়ির অবহেলাও মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। অথচ ইসলামে বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ির কোনো স্থান নেই। আর ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য হলো প্রত্যেক কাজের ক্ষেত্রে মধ্যমপন্থা অবলম্বন করা।

মুসলিম উম্মাহ মধ্যমপন্থা অবলম্বনের কথা ভুলে গিয়ে শবে বরাত নিয়ে বিদ্বেষে জড়িয়ে পড়েছে। যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এর ফলে শবে বরাত নিয়ে শুরু হয়েছে অসংখ্য ফেতনা। এ সব বাড়াবাড়ি ও অবহেলার ফেতনা থেকে মুক্ত থাকা সবার জন্যই একান্ত জরুরি।

শবে বরাত ছাড়াও এ মাস হলো রমজানের রোজার রাখার জন্য নিজেদের তৈরির মাস। কেননা এ মাসে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একাধারে রোজা রেখেছেন। আবার শাবান মাসের মধ্য রজনীতে যেমন ইবাদতের কথা বলেছেন, ঠিক তেমনি পরের দিন রোজা পালনের কথাও বলেছেন।

হাদিসের অন্য বর্ণনায় এসেছে, আল্লাহ তাআলা এ রাতে প্রথম আসমানে নেমে আসেন। বান্দার খুব কাছে এসে ডেকে ডেকে বলতে থাকেন, তোমাদের মধ্যে কেউ পাপী আছ? যে আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে, আর আমি তাকে ক্ষমা করে দেব।

তোমাদের কেউ রিজিক প্রার্থনাকারী আছে? যে আমার কাছে রিজিক চাইবে, আমি তাকে রিজিক দান করব।
রোগ-শোক, অসুস্থতায় আছে কেউ, যে আমার কাছে রোগ মুক্তি কামনা করবে, আমি তাকে রোগ থেকে মুক্তি দান করব।

এভাবে আহ্বান করতে থাকবে আর তা থেকে ক্ষমা প্রার্থনা ও মুক্তি চাইতে বলবে, যে বান্দা ওই রাতে প্রয়োজনীয় বিষয়ে আহ্বান করবে, আল্লাহ তাআলা তাকে সে রাতে কাঙ্ক্ষিত জিনিস দান করবেন। আর তা চলতে থাকবে সুবহে সাদেক পর্যন্ত ‘

অতিরঞ্জিত কর্মকাণ্ড ছাড়াও শাবান মাসজুড়ে ইবাদত-বন্দেগির রয়েছে অনেক বিশেষ বিশেষ কাজ ও ফজিলত। তাছাড়া মধ্য শাবান ইয়াওমে বিজের রোজার অন্তর্ভূক্ত। সে হিসেবেও তা মর্যাদা ও সম্মানের দাবি রাখে।

তবে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
অনেকে এ রাতকে ঘিরে প্রচণ্ড রকম বাড়াবাড়ির আশ্রয় নেয়। হালুয়া-রুটি, আতশবাজি, আলোকশজ্জা, সন্ধ্যা রাতে রুসুম-রেওয়াজ, হৈ-হুল্লুড় ও পাড়ায় মহল্লায় ঘোরাঘুরির আয়োজন করে আবার সন্ধ্যা রাতে পাপ মোচনের নিয়তে গোসল করাসহ ইত্যাদি বাড়াবাড়ি করে থাকে। যা ‘লাইলাতুন নিসফে মিন শাবান’-এর সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।

পরিশেষে
‘লাইলাতুন নিসফে মিন শাবান’-এ প্রিয়নবি ঘোষিত আমলগুলো যথাযথ আদায় করা জরুরি। বান্দার জন্য হাদিসের ওপর যথযথ আমলই কাঙ্ক্ষিত ফলাফল লাভে সহায়ক হবে।

সুতরাং শবে বরাতের নামে বাড়াবাড়ি ও অবহেলা না করে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষিত পন্থায় মধ্য শাবানের রাতে ইবাদত-বন্দেগিতে নিজেদের নিয়োজি্ত রাখার পাশাপাশি পরদিন রোজা রাখার মাধ্যমে হাদিসের ওপর আমল করাই উত্তম।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি ব্যতিত প্রিয়নবির ঘোষণায় মধ্য শাবানের রাতে ইবাদত-বন্দেগি করার তাওফিক দান করুন। আল্লাহ তাআলা ঘোষিত ক্ষমা লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

আরো পড়ুন…………

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর