1. xsongbad@gmail.com : Harry Deb Nath : Harry Deb Nath
  2. tauhidcrt8@gmail.com : tauhidcrt8 :
নিজের দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা করুন। - Songbadjogot.com
শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
  • Welcome To Our Website...* এন জি ও ‘আরবান সমিতি’ –মাইক্রো ক্রেডিট ফাইনান্সে জরুরী ভিত্তিতে কিছু সংখ্যক মহিলা/পুরুষ মাঠ কর্মী নিয়োগ দেয়া হবে। বয়স ২৫ উর্ধ্ব হতে হবে। আগ্রহী প্রার্থীদেরকে সরাসরি নিম্নোক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করুনঃ ০১৩০১০৪১২৮৮  আমাদের অনলাইন নিউজ পোর্টালে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে এই নাম্বারে যোগাযোগ করুনঃ ০১৮১৫-৫৮৭৪১০

নিজের দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা করুন।

লেখক, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২১
  • ৫ বার ভিউ

বেঁচে থাকার কারণ কী? আমরা কিসের জন্য বাঁচি?
জীবন কাকে বলে? জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রত্যাশাপূরণের ধারাবাহিক চলমানতার নামই কি জীবন? চেতন ও অবচেতনের ইচ্ছেগুলো যখন প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তির দ্বন্দ্ব নিয়ে ক্রমাগত আমাদের সত্তাকে ক্ষতবিক্ষত করে, হৃদয়কে পর্যুদস্ত করে, তখনই বারবার ভেতরে ভেতরে প্রশ্ন উঠে যায়-সুখ কোথায়, শান্তি কোথায়, জীবনই-বা কোথায়? তখনই আমাদের মনোবীজের কূট সংক্রমণে চারপাশের স্বাভাবিক স্থিতাবস্থায় ভয়ংকর কম্প তৈরি হয়-ভয়ংকর প্রশ্নমুখী ব্যাকুলতা তৈরি হয়-কেন এই জীবন? কী কারণে এই জীবন? আর চলমান এই জীবনের সত্যিকারের মানেটাই-বা কী?

সুখ দুঃখ মিলিয়েই জীবন। জীবনে খারাপ সময় আসবেই সেইসব উপেক্ষা করে এগিয়ে যেতে হবে আগামীর সূর্য দেখার জন্য। ভেঙে পড়লে চলবে না। সামনে আছে আরও দুর্গম পথ। সেই পথে আসবে অনেক বাধা। আর সেইসব বাধা কাটিয়ে শুধুই এগিয়ে যেতে হবে। অনেকেই খারাপ সময়ে ভীষণভাবে ভেঙে পড়েন। কেউ কেউ আবার নিয়ে বসেন কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। এতে আপনারই ক্ষতি সব স্বাভাবিক হয়ে যায় পরবর্তীতে। মনে রাখে না কেউই। তাই খারাপ সময় এলে বা আপনার দ্বারা কোনো ভুল হয়ে গেলে এই বিষয়গুলি মাথায় রেখে এগোবেন। নিজের মধ্যে এই বিশ্বাস আনুন যে যত খারাপ সময়ই আসুক না কেন আপনি পারবেন তা সামলে নিতে। ভেঙে পরলে চলবেনা। নিজের উপর ভরসা রাখুন আর এগিয়ে চলুন।

প্রতিটি মুহূর্তেই জীবন থেকে একটি একটি করে সেকেন্ড হারিয়ে যাচ্ছে। ঘড়ির কাঁটা থেমে নেই। যারা সেকেন্ড ধরে ধরে জীবনকে রাঙাতে পারে তারাই একসময় সাফল্যের শীর্ষে পা রাখে। প্রতিটি মুহূর্তকে রাঙিয়ে জীবনকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই সংগ্রাম। সেই সংগ্রামের গল্প মানুষ আর মননভেদে নানা রকম। একেক জনের গল্প একেক রকম হলেও সবার জীবন সামনে এগিয়ে চলছে। কেউ বা ধীরে আবার কেউ বা দ্রুত-সবাই সামনে এগোনোর প্রচেষ্টায় প্রহর গুনছে। জীবন থেকে কিছু বাস্তব শিক্ষা নিতে পারেন।

জীবন যা শেখায় না-  
১. জীবন সব সময়ই সচল। আপনি এখন যে কর্মস্থলে কাজ করছেন ভাবছেন আপনি ছাড়া সব অচল। আসলে কিন্তু না। আপনি যদি আজ কাজ ছেড়ে দেন তাহলে কর্মস্থলে সাময়িক সমস্যা তৈরি হবে, কিন্তু খুব দ্রুত আপনার উপস্থিতি সবাই ভুলে যাবে। তেমনি আজ আপনি হয়তো বন্ধুমহলে বেশ জনপ্রিয়। আপনাকে ছাড়া কোনো আড্ডাই জমে না। জেনে রাখুন, আপনি না থাকলেও আড্ডার রং কোনো অংশেই মলিন হবে না।

২. কোনো কিছুই জীবনে চিরস্থায়ী নয়। আবেগ, অনুযোগ কিংবা অভিযোগ-কোনো কিছুই চিরস্থায়ী নয়। সামাজিক সম্পর্কগুলো সব সময়ই এক রকমের গাঢ় হবে না। আজ আপনার কাছে যাকে ভালো লাগছে, কালকে তাকে আপনার ভালো না-ও লাগতে পারে। আজ যিনি প্রশংসা করছেন, কাল তিনি আপনার কঠোর সমালোচক হতেই পারেন।
৩. নিজেকে কখনোই অন্যদের সঙ্গে তুলনা করবেন না। নিজেকে নিজের সঙ্গে তুলনা করতে শিখুন। বন্ধুর ভালো চাকরির খবর শুনে নিজেকে হেয় করবেন না, বন্ধু উৎসাহ দিয়ে নিজের পথ গোছানোর চেষ্টা করুন।

৪. আর্থিক স্বাধীনতা আপনার জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য এনে দেয়। ধার করার অভ্যাস কিংবা ঋণে নিজেকে জড়াবেন না। চেষ্টা করুন নিজের হাতে আয় করতে। যতটা আয় করবেন, তা বুঝে ব্যয় করতে শিখুন। প্রয়োজনের বাইরের ব্যবহারের জিনিসপত্র কেনা থেকে বিরত থাকুন। অভিজ্ঞতা অর্জনের চেষ্টা করুন। দামি মুঠোফোনে যতটা আনন্দ মেলে হয়তো মঞ্চনাটক দেখার অভিজ্ঞতা আরও আনন্দ দেবে। বস্তুগত আনন্দের চেয়ে অভিজ্ঞতা, স্মৃতি জমানোর দিকে মনোযোগ দিন।

৫. যত বড়ই দুঃখ আসুক না কেন, তা মলিন হবেই। প্রেমিককে হারানোর বেদনা, ভালো চাকরির সুযোগ বা পরীক্ষায় ভালো ফল-নানা কারণে ব্যর্থতা আর শোক জীবনে আসতে পারে। জেনে রাখুন, সব দুঃখই ধীরে ধীরে হালকা হতে থাকে। একদিন সব দুঃখ কাটিয়ে সাধারণ জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি আমরা।

৬. শুধু পরিশ্রমেই জীবনে সাফল্য আসে না। পরিশ্রমের সঙ্গে বুদ্ধিবৃত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সৃজনশীলতাকে যোগ করতে হয়। বছরের পর বছর একই কাজ করতে করতে জীবনকে কখনোই একঘেয়েমির বৃত্তে আটকে ফেলবেন না। সিদ্ধান্ত নিয়ে ঝুঁকি নিতে শিখুন। ঝুঁকি নেওয়ার একটা সুবিধা হচ্ছে, আপনি জানেন না সামনে কী আসবে। এই অচেনা আর অজানা পথ সামনে নতুন দ্বার খুলে দেয়।

৭. সাফল্য কিংবা ব্যর্থতাই জীবনের সবকিছু না। সময়কে নান্দনিক উপায়ে রাঙিয়ে বেঁচে থাকাই জীবন।

৮. অন্যের মতামতকেই জীবনের সব বলে ভাববেন না। একই বই কারও কাছে ভালো লাগতে পারে, কারও কাছে খারাপ লাগতে পারে। তেমনি আপনার কাজ কারও কাছে ভালো লাগতে পারে, কারও কাছে খারাপ লাগতে পারে-সব সময় নিজের সঙ্গে বোঝাপড়ার মাধ্যমে কাজ করুন।

৯. মুঠোফোন বা সামাজিক দুনিয়াই জীবনের সব না। বন্ধুর সাফল্যের ছবি ফেসবুকে দেখে মন খারাপ হতেই পারে আপনার। আবার দিনের অনেকটা সময় মুঠোফোনের পেছনে ব্যয় করার ফল কিন্তু ইতিবাচক হয় না। নিজের দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা করুন। নিজের শখকে গুরুত্ব দিন।

১০. নিজের পথ নিজেকেই চলতে হয়। অন্যরা আপনাকে দারুণ পছন্দ করে হয়তো, কিন্তু দিন শেষে আপনার পথ আপনাকেই অতিক্রম করতে হবে। প্রত্যেক মানুষের এগিয়ে চলার গল্প, কষ্টের গল্প ভিন্ন হয়-তাই আপনাকে কেউ এগিয়ে নেবে তা ভেবে কখনোই বসে থাকবেন না।

লেখক, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম ,

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর