1. xsongbad@gmail.com : Harry Deb Nath : Harry Deb Nath
  2. tauhidcrt8@gmail.com : tauhidcrt8 :
রাঙামাটিতে বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। - Songbadjogot.com
রবিবার, ২৯ মে ২০২২, ১১:০৬ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
  • Welcome To Our Website...* এন জি ও ‘আরবান সমিতি’ –মাইক্রো ক্রেডিট ফাইনান্সে জরুরী ভিত্তিতে কিছু সংখ্যক মহিলা/পুরুষ মাঠ কর্মী নিয়োগ দেয়া হবে। বয়স ২৫ উর্ধ্ব হতে হবে। আগ্রহী প্রার্থীদেরকে সরাসরি নিম্নোক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করুনঃ ০১৩০১০৪১২৮৮  আমাদের অনলাইন নিউজ পোর্টালে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে এই নাম্বারে যোগাযোগ করুনঃ ০১৮১৫-৫৮৭৪১০

রাঙামাটিতে বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা।

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি( শাকিল মন্ডল)
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৩৯ বার ভিউ

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি( শাকিল মন্ডল) রাঙামাটিতে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগীরা বেশিরভাগই নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ,বয়স্ক ব্যক্তিরা বেশি রয়েছেন। রাঙামাটি সদর হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়- গত পাঁচদিন ধরে ঠান্ডাজনিত রোগ নিয়ে বৃদ্ধ ও শিশুরা হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। বিপুলসংখ্যক রোগীর সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের। অধিকাংশই শীতজনিত নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত।

সূত্রটি বলছে- গত ২৪ঘন্টায় রাঙামাটিতে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। নতুন করে ৯২জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। রাঙামাটি পিসিআর ল্যাবে ১১৭জন এবং এন্টিজিনায় ৭৮জন নমুনা পরিক্ষা করেছেন। এরমধ্যে সর্বমোট ১৯৫জনের মধ্যে ৯২জনের করোনা পজিটিভ সনাক্ত হয়। যা নমুনা পরিক্ষার অনুপাতে সনাক্তের হার ৪৭.১৮ পাসেন্ট।

রাঙামাটিতে এ পর্যন্ত ২৮হাজার ৫৫৮জন নমুনা পরিক্ষা করেছেন। এরমধ্যে নেগেটিভ এসেছে ২৩হাজার ৬৭৮জনের। পজিটিভ এসেছে ৪ হাজার ৮৮০জনের। এ পর্যন্ত মোট মারা গেছেন-৩৪জন। প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছেন- ৪লাখ ১২হাজার ৮৫৬জন এবং ৩লাখ ৩হাজার ৪৩৮জন। আইসোলেশনে ভর্তি আছেন ০২জন। রাঙামাটি সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা: শওকত আকবর বলেন- রাঙামাটিতে করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়লেও হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা কম। কেননা আমরা জেলার বেশিরভাগ মানুষকে টিকার আওতায় আনতে পেরেছি। এখন মুখে মাস্ক পরিধান এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমে যাবে।

ডা: শওকত আরও বলেন- এখন যেহেতু শীতের মৌসুম তাই নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। মা ও শিশু রোগীর জন্য বেডের সংখ্যা ১০-১৫টি থাকলেও বর্তমানে গড়ে ৩০-৩৫টি বেডের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর